পটুয়াখালীর দশনিা উপজেলার আরজবেগী এস এ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম ও ৭ম শ্রেনীর ছাত্র-দের মধ্যে সিনিয়র জুনিয়ারকে কেন্দ্র করে ৭ম শ্রেনীর ছাত্র মোঃ আরাফাত সানি কালু নিহত হয়েছে। ঘটনার বিবরনে প্রকাশ গত কয়েক দিন ধরে সিনিয়র জুনিয়ার প্রসঙ্গ নিয়ে ৭ম শ্রেনীর ছাত্র কালু এবং ৯ম শ্রেনীর ছাত্র মেহেদী গ্রুপের বিরোধ চলে আসছিল। প্রত্যাক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে আরাফাত সানি কোন এক দিন মেহেদীকে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায় তুই বলে ফেললে তার দুই বন্ধু আলামিন ও হৃদয় প্রতিবাদ করে মার মুখি হয়ে কালুকে আক্রমন করে মার ধর করিতে থাকিলে,আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে কালু বাসার দিকে দৌড় দেয়। এসময় কালুর মা হোসনেয়ারা বেগম ও বোন পারভিন দৌড়ে এসে কালুকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে এবং বলে তোমরা ওকে মেরোনা ও কোন অন্যায় করে থাকলে আমি এর বিচার করবো। এসময় পাষান্ড আমিন মাতুব্বরের ছেলে ৯ম শ্রেনীর ছাত্র আলামীন(১৪)ও চানমিয়া হাওলাদারের ছেলে ৯ম শ্রেনীর ছাত্র হৃদয় হোসেন(১৫) মায়ের বুক থেকে কালুকে ছিনিয়ে নিয়ে স্ব-মিলে কাটা একটি লাকরি দ্বারা মাথায় আঘত করিলে কালু মাটিতে লুটাইয়া পরে। অতপর মা ও বোনের ডাক চিৎকারে অন্যান্যরা এগিয়ে আসে এবং কালুকে মুমূর্ষাবস্থায় দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেলা ২টার দিকে ভর্তি করে। পরে কালুর অবস্থার আরো অবনতি দেখে তাকে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেলে রেফাড করা হয়। অতপর রাত ১টার দিকে কালুর মৃর্তৃ ঘটে বলে জানা যায়। ঘটনাটি ঘটে গতকাল স্কুল পরীক্ষা শেষে বেলা ১টার পরে। সংবাদ পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে এর সত্যতা জানতে পায় বলে যানান এস আই আঃ ওহাব । এ মর্মে ৯ম শ্রেনীর ছাত্র জাফর নামে এক ছাত্রকে জনতা ধরে পুলিশে সোর্পদ করেছে বলে যানা যায়। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে যানা যায়। এমর্মে অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ শাহজাহান সিকদার সাজু বলেন,বিষয়টি আমি গত কালই যেনেছি তবে অতটা সিরিয়াসলি নেইনি । কারন, বাহির থেকে তেমন কোন বড় ধরনের ইঞ্জুরী দেখা যায়নি। তবে অপরাধী যেই হোকনা কেন কোন সুযোগ দেয়া হবে না। আমি এবং আমার প্রতিষ্ঠান অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার জন্য যা যা করার দরকার আমরা তা করে যাব। তবে কোন নিরাপরাধ ছাত্ররা যাহাতে কোন রকম হয়রানীর শীকার না হয় সে দিকে খেয়াল রাখার জন্য সংশ্লিস্ট আইন প্রেরককারী সংস্থাকে অনুরোধ করেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
Post a Comment